কুইক সার্ভিসেস ও ই-সেবা
অনলাইন ভর্তি
ভর্তি তথ্য ও আবেদনফলাফল কর্নার
অভ্যন্তরীণ ও বোর্ড রেজাল্টপরীক্ষার রুটিন
সময়সূচি ও সিট প্ল্যানঅনলাইন ফি
বিকাশ / রকেট / ব্যাংকডিজিটাল ক্লাস
অনলাইন ভিডিও লেকচারসিলেবাস ও প্রশ্ন
পাঠপরিকল্পনা ও প্রশ্নব্যাংকঅনুপ্রেরণার উৎস ও দিকনির্দেশনা
প্রতিষ্ঠাতা মহোদয়ের বাণী
"শিক্ষা কেবল পুঁথিগত জ্ঞান নয়, এটি চরিত্র গঠন, মানবতা ও দেশপ্রেমের অনন্য সোপান। নৈতিক মূল্যবোধ ও যুগোপযোগী আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়ে আমাদের শিক্ষার্থীরা দেশ ও জাতির শ্রেষ্ঠ সম্পদে পরিণত হবে..."
সম্পূর্ণ বাণী পড়ুন
সভাপতি মহোদয়ের বাণী
"শিক্ষা মানুষের জ্ঞান, মনন, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের সৎ, দক্ষ ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে..."
সম্পূর্ণ বাণী পড়ুন
অধ্যক্ষ মহোদয়ের বাণী
"মজিদ জরিনা ফাউন্ডেশন স্কুল এন্ড কলেজ শিক্ষার্থীদের যুগোপযোগী প্রযুক্তি ও নৈতিক শিক্ষায় গড়ে তুলতে অঙ্গীকারবদ্ধ..."
সম্পূর্ণ বাণী পড়ুনপরীক্ষা সংক্রান্ত লিংক
ফলাফল সংক্রান্ত লিংক
Welcome to Mazid Jarina Foundation School and College
মজিদ জরিনা ফাউন্ডেশন স্কুল এন্ড কলেজ একটি আধুনিক, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও মানসম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
আমাদের পরিচিতি
মজিদ জরিনা ফাউন্ডেশন স্কুল এন্ড কলেজ শরীয়তপুর জেলার একটি সম্ভাবনাময় ও অগ্রসরমান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ২০১৩ সালের ২০ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানটি অল্প সময়ের মধ্যেই মানসম্মত শিক্ষা, সুশৃঙ্খল পরিবেশ, আধুনিক পাঠদান পদ্ধতি এবং শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশের মাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি অর্জন করেছে। প্রতিষ্ঠানটি ২০২২ ও ২০২৬ সালে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে ঢাকা বিভাগের শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে । আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন সুবিশাল ক্যাম্পাস, বিষয়ভিত্তিক অভিজ্ঞ ও দক্ষ শিক্ষকমণ্ডলী, প্রযুক্তিনির্ভর পাঠদান, নিয়মিত মূল্যায়ন এবং সার্বক্ষণিক মনিটরিং ব্যবস্থার সমন্বয়ে প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছে।
বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) জনাব এ কে এম শহীদুল হক, বিপিএম, পিপিএম তাঁর পিতা-মাতার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁদের নামে এ প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠাতা জনাব এ কে এম শহীদুল হক, বিপিএম, পিপিএম ও গভর্নিং বডির সম্মানিত সভাপতি ড. এ কে এম রফিকুল হক এর সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং অধ্যক্ষ জনাব এম. ফরিদ আল হোসাইনের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। যুগোপযোগী পাঠপরিকল্পনা, গতিশীল ক্লাব কার্যক্রম, নিয়মিত পরীক্ষা, ফলাফল বিশ্লেষণ এবং নিবিড় তত্ত্বাবধানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মেধা, মনন, নৈতিকতা, নেতৃত্বগুণ ও সৃজনশীলতা বিকাশে প্রতিষ্ঠানটি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সুবিশাল ও মনোরম ক্যাম্পাস, নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ, আধুনিক অবকাঠামো এবং বিষয়ভিত্তিক দক্ষ শিক্ষকমণ্ডলীর তত্ত্বাবধানে মজিদ জরিনা ফাউন্ডেশন স্কুল এন্ড কলেজ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রত্যাশা পূরণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এক নজরে প্রতিষ্ঠান
- প্রতিষ্ঠানের নাম: মজিদ জরিনা ফাউন্ডেশন স্কুল এন্ড কলেজ
- প্রতিষ্ঠাতা: জনাব এ কে এম শহীদুল হক, বিপিএম, পিপিএম, সাবেক আইজিপি
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২০ ডিসেম্বর ২০১৩
- অবস্থান: শরীয়তপুর, বাংলাদেশ
- শিক্ষার্থী সংখ্যা: প্রায় ৩,৬০০ জন
- শিক্ষা বিভাগ: বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা
- ল্যাবরেটরি: ৫টি—পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, জীববিজ্ঞান, গণিত ও কম্পিউটার ল্যাব
- ভবন: স্কুল ভবন, কলেজ ভবন, একাডেমিক ভবন ও প্রশাসনিক সুবিধাসহ আধুনিক অবকাঠামো
- পরিবহন: ১৩টি নিজস্ব বাস (পরিবহনসেবা: প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব বাস তিনখাম্বা, বড়িরহাট, আংগারিয়া, মনোহর, শরীয়তপুর, কাজিরহাট, জাজিরা, ডগ্রি, ডোমসার, চিকন্দি, ভোজেশ্বর, গোলারবাজার, বিঝারী, পঞ্চপল্লী, পণ্ডিতসার, ঘড়িসার, চাকধ, নড়িয়া রুটে চলাচল করে। রুট ও সময়সূচি কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে।)
- লাইব্রেরি: প্রায় ১০,০০০ বইসমৃদ্ধ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত লাইব্রেরি
- প্রতিষ্ঠানের মূলনীতি: শিক্ষা, নৈতিকতা, মানবতা ও দেশপ্রেম
আমাদের বিশেষ বৈশিষ্ট্য
১. প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক শিক্ষা
প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পাঠদান, নিয়মিত ক্লাস, পরীক্ষা ও ফলাফল প্রকাশের ব্যবস্থা রয়েছে। বিষয়ভিত্তিক অভিজ্ঞ ও অনলাইন পাঠদানে দক্ষ শিক্ষকমণ্ডলী প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করে থাকেন।
২. সরাসরি মনিটরিং ও নিবিড় তত্ত্বাবধান
CI (Class In-Charge) এবং SAT (Section Admin Teacher) পদ্ধতির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি, পড়াশোনা, শৃঙ্খলা ও সার্বিক অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হয়। অধ্যক্ষের নেতৃত্বে এ মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
৩. ডিজিটাল হাজিরা ও অভিভাবক যোগাযোগ
ডিজিটাল হাজিরা পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়। অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের মোবাইল বার্তার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় তথ্য জানানোর ব্যবস্থা রয়েছে।
৪. শৃঙ্খলা ও নৈতিকতার চর্চা
নিয়মিত অ্যাসেম্বলি, নির্ধারিত পোশাক, পরিচ্ছন্নতা, শৃঙ্খলাবোধ ও দায়িত্বশীল আচরণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত পোশাক ও চুলের পরিচর্যার বিষয়েও নিয়মিত তদারকি করা হয়।
৫. সমৃদ্ধ ক্লাব কার্যক্রম
শিক্ষার্থীদের প্রতিভা ও সৃজনশীলতা বিকাশে বিতর্ক, খেলাধুলা, নাচ, গান, আবৃত্তি, কুইজ, বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড, গণিত অলিম্পিয়াড, ফটোগ্রাফিসহ বিভিন্ন ক্লাব কার্যক্রম পরিচালিত হয়। শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ আগ্রহ ও যোগ্যতা অনুযায়ী এসব কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়।
৬. আধুনিক শিক্ষা-সহায়ক অবকাঠামো
প্রতিষ্ঠানে রয়েছে—
- শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত আধুনিক আইসিটি ল্যাব
- মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম
- বিষয়ভিত্তিক বিজ্ঞানাগার
- প্রায় ১০,০০০ বইসমৃদ্ধ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত লাইব্রেরি
- সুবিশাল খেলার মাঠ
- আধুনিক অডিটোরিয়াম
- নান্দনিক শহীদ মিনার
- কলেজ মসজিদ
- মানসম্মত কলেজ ক্যান্টিন
- প্রয়োজনীয় আধুনিক একাডেমিক ও প্রশাসনিক সুবিধা
৭. শ্রেণিকক্ষভিত্তিক পাঠ প্রস্তুতি
শ্রেণিকক্ষেই শিক্ষার্থীদের প্রতিদিনের পাঠ বুঝিয়ে দেওয়া এবং নির্ধারিত অনুশীলন সম্পন্ন করানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। নিয়মিত ক্লাসে অংশগ্রহণ ও পাঠ প্রস্তুতির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বাড়তি নির্ভরতা কমিয়ে স্বনির্ভর শিক্ষার অভ্যাস গড়ে তোলার চেষ্টা করা হয়।
৮. উপস্থিতি ও নিয়মিত মূল্যায়নে উৎসাহ
শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি, অধ্যবসায় ও দায়িত্বশীলতা উৎসাহিত করতে বছরব্যাপী উপস্থিতির রেকর্ড সংরক্ষণ করা হয়। শতভাগ উপস্থিতির জন্য যোগ্য শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করার ব্যবস্থা রয়েছে।
৯. নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ
ক্লাসরুমসহ প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় রেখে সার্বিক নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। বালক ও বালিকাদের জন্য পৃথক শিফটের ব্যবস্থাও রয়েছে।
১০. সহশিক্ষা ও সৃজনশীল আয়োজন
বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, নবীনবরণ, ক্লাস পার্টি, বন্ধুত্বপূর্ণ ক্লাস কার্যক্রম, ক্লাব ফেস্টিভ্যাল, সায়েন্স ফেস্টিভ্যাল, আন্তশ্রেণি প্রতিযোগিতা, জাতীয় দিবস উদ্যাপন এবং ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান পরিদর্শনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও সামাজিক দক্ষতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়।
১১. পরীক্ষার পর ফলাফল পর্যালোচনা
প্রতিটি পরীক্ষা শেষে অভিভাবকদের উপস্থিতিতে উত্তরপত্র বিতরণ ও ফলাফল ঘোষণার ব্যবস্থা রয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা হয়।
১২. পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের বিশেষ সহায়তা
শিক্ষার্থীদের শেখার ঘাটতি চিহ্নিত করে প্রয়োজন অনুযায়ী বিশেষ তত্ত্বাবধান ও অতিরিক্ত সহযোগিতা প্রদান করা হয়।
১৩. উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতি
এসএসসি ও এইচএসসি পর্যায়ে ভালো ফলাফলের পাশাপাশি মেডিকেল, প্রকৌশল এবং দেশের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
১৪. ধূমপান ও দলীয় রাজনীতিমুক্ত শিক্ষাঙ্গন
শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্যকর, নিরাপদ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে ধূমপান ও দলীয় রাজনীতিমুক্ত শিক্ষাঙ্গন গড়ে তোলার নীতি অনুসরণ করা হয়।
দৈনন্দিন পাঠদান পদ্ধতি
শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই পুরো বছরের শিক্ষা কার্যক্রমের একটি পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। শিক্ষাবর্ষের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম, পরীক্ষা ও অন্যান্য আয়োজনের সময়সূচি সম্বলিত একাডেমিক ক্যালেন্ডার শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। প্রতিদিন নির্ধারিত রুটিন অনুযায়ী সব ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়। বিষয় শিক্ষকরা DLP (Daily Lesson Plan) অনুসরণ করে পাঠদান করেন। শ্রেণিপাঠের মধ্যবর্তী সময়ে শিক্ষার্থীদের জন্য টিফিনের ব্যবস্থা রয়েছে।
স্কুল সেকশনের পাঠদান পদ্ধতি
প্রতিটি ক্লাসের সময়কাল: ৩৫ মিনিট
১. SAT ক্লাস—প্রথম ১০ মিনিট: শ্রেণি ও সেকশনভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক উপস্থিতি, পোশাক, শৃঙ্খলা এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।
২. DCT (Daily Class Test)—৫ মিনিট: পূর্ববর্তী পাঠের ওপর ভিত্তি করে ১০ নম্বরের লিখিত (WCT—Written Class Test) অথবা মৌখিক (OCT—Oral Class Test) পরীক্ষা নেওয়া হয়।
৩. CW (Class Work)—২৫ মিনিট: নির্ধারিত পাঠপরিকল্পনা অনুযায়ী নতুন পাঠ বুঝিয়ে দেওয়া হয়, শ্রেণিকাজ সম্পন্ন করানো হয় এবং পরবর্তী দিনের বাড়ির কাজ বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
৪. HW (Homework) ও ডায়েরি যাচাই—শেষ ৫ মিনিট: পূর্ববর্তী দিনের বাড়ির কাজ যাচাই এবং শিক্ষার্থীদের ডায়েরিতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও স্বাক্ষর প্রদান করা হয়।
কলেজ সেকশনের পাঠদান পদ্ধতি
কলেজ সেকশনেও প্রথম ১০ মিনিট SAT ক্লাসের মাধ্যমে উপস্থিতি, পোশাক ও শৃঙ্খলা পর্যবেক্ষণ করা হয়।
প্রতিটি ৪০ মিনিটের বিষয়ভিত্তিক ক্লাসে—
- DCT—৫ মিনিট: পূর্ববর্তী পাঠের ওপর ভিত্তি করে মূল্যায়ন করা হয়। প্রতি তিনটি ক্লাসের একটিতে ১০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা এবং অন্য ক্লাসগুলোতে মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়।
- CW—৩০ মিনিট: DLP অনুযায়ী পাঠদান, বিষয়বস্তুর ব্যাখ্যা ও শ্রেণিকাজ সম্পন্ন করা হয়।
- HW ও ডায়েরি যাচাই—৫ মিনিট: বাড়ির কাজ যাচাই এবং পরবর্তী পাঠের নির্দেশনা দেওয়া হয়।
প্রতিদিনের পড়া প্রতিদিন সম্পন্ন করার অভ্যাস গড়ে তোলাই এ পাঠদান পদ্ধতির অন্যতম লক্ষ্য। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত অধ্যয়ন, আত্মবিশ্বাস ও পরীক্ষার প্রস্তুতি শক্তিশালী করার চেষ্টা করা হয়।
যুগোপযোগী পরীক্ষা ও মূল্যায়ন পদ্ধতি
শিক্ষার্থীদের ধারাবাহিক অগ্রগতি নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত শ্রেণি পরীক্ষা, মাসিক পরীক্ষা, মধ্যবর্তী পরীক্ষা, অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা, বার্ষিক পরীক্ষা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী বিশেষ মূল্যায়নের ব্যবস্থা রয়েছে।
১. এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতি
দশম ও দ্বাদশ শ্রেণিতে বোর্ড পরীক্ষার জন্য পরিকল্পিত প্রস্তুতি কার্যক্রম পরিচালিত হয়। প্রতিষ্ঠানের প্রচলিত পরিকল্পনা অনুযায়ী নবম ও একাদশ শ্রেণিতে সংশ্লিষ্ট সিলেবাসের বড় একটি অংশ সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। দশম ও দ্বাদশ শ্রেণিতে অবশিষ্ট সিলেবাস শেষ করে পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি ও পুনরালোচনা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
প্রস্তুতির বিভিন্ন ধাপে রয়েছে—
- PPT (Preparatory to Pre-Test): পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসের ওপর প্রস্তুতিমূলক পরীক্ষা।
- Pre-Test: সিলেবাসভিত্তিক প্রস্তুতি যাচাই।
- Test Examination: চূড়ান্ত প্রস্তুতি মূল্যায়ন।
- Model Test: বোর্ড পরীক্ষার প্রশ্নপদ্ধতির সঙ্গে পরিচিত হওয়া এবং সময় ব্যবস্থাপনার অনুশীলন।
- MOWT (Marathon Objective Written Test): বহুনির্বাচনি প্রশ্নের লিখিত অনুশীলন।
- MOT (Marathon Objective Oral Test): বহুনির্বাচনি প্রশ্নের মৌখিক অনুশীলন।
নির্বাচনি পরীক্ষার পরও বোর্ড পরীক্ষার পূর্ববর্তী সময় পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি ও পুনরালোচনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
২. কেজি থেকে পঞ্চম এবং ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির পরীক্ষা
FT (Fortnightly Test): প্রতি মাসে নির্ধারিত একটি ১০ নম্বরের পরীক্ষা। প্রাপ্ত নম্বর চূড়ান্ত ফলাফলে যুক্ত করা হয়।
Mid-Term Examination: প্রতি তিন মাস অন্তর নির্ধারিত ৫০ নম্বরের পরীক্ষা। প্রাপ্ত নম্বর চূড়ান্ত ফলাফলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
Half-Yearly ও Year-Final Examination: ছয় মাস অন্তর অর্ধবার্ষিক ও বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়া হয়। ১০০ নম্বরের বোর্ড-অনুসরণী প্রশ্নপদ্ধতিতে পরীক্ষা গ্রহণের ব্যবস্থা রয়েছে।
প্রতিটি পরীক্ষার পর ফলাফল প্রকাশ ও রেজাল্ট কার্ড প্রদানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি মূল্যায়ন করা হয়।
৩. একাদশ শ্রেণির পরীক্ষা
MT (Monthly Test): প্রতি মাসে একটি করে মোট চারটি মাসিক পরীক্ষা নেওয়া হয়। প্রতিটি পরীক্ষার পূর্ণমান ৩০।
Half-Yearly Examination: বছরের মধ্যবর্তী সময়ে নির্ধারিত ১৩টি বিষয়ের প্রতিটি পত্রে ৫০ নম্বরের পরীক্ষা নেওয়া হয়।
Year-Final Examination: একাদশ শ্রেণিতে ১৩টি বিষয়ে মোট ১,৩০০ নম্বরের পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়।
এ ছাড়া প্রয়োজন অনুযায়ী PT (Principal Test) এবং PVT (Post-Vacation Test) নেওয়া হয়।
নিয়মিত পরীক্ষা, ফলাফল বিশ্লেষণ ও পুনরালোচনার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা চিহ্নিত করে পরবর্তী পাঠদান ও প্রস্তুতি কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হয়।
অভিভাবকদের সঙ্গে নিয়মিত মতবিনিময়
শিক্ষার্থীর সাফল্য নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠান পরিবার ও শিক্ষকের সমন্বিত ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেয়। এ লক্ষ্যে অন্তত প্রতি তিন মাসে একবার অভিভাবক সভা আয়োজন করা হয়। এসব সভায় শিক্ষার্থীর উপস্থিতি, পড়াশোনা, পরীক্ষার ফলাফল, আচরণ, শৃঙ্খলা ও সার্বিক অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি ইতিবাচক ও সহযোগিতাপূর্ণ শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তোলাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।
আমাদের সাফল্য ও অর্জন
প্রতিষ্ঠার পর থেকে মজিদ জরিনা ফাউন্ডেশন স্কুল এন্ড কলেজ একাডেমিক ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে ধারাবাহিক অগ্রগতির চেষ্টা করে আসছে। পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল, বৃত্তি অর্জন, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, বিজ্ঞানভিত্তিক কার্যক্রম, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ প্রতিষ্ঠানের অর্জনসমূহকে সমৃদ্ধ করেছে।
একাডেমিক অর্জন
নিচে প্রতিষ্ঠানের সরবরাহকৃত তথ্য অনুযায়ী বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল তুলে ধরা হলো।
স্কুল সেকশন: জেএসসি পরীক্ষার ফলাফল
| সাল | মোট পরীক্ষার্থী | পাসের হার | GPA-5 | বৃত্তিপ্রাপ্ত |
|---|---|---|---|---|
| ২০১৭ | ১৭৫ | ১০০% | ৮৭ | ৪২ |
| ২০১৮ | ২৩৬ | ১০০% | ৪২ | ৫৭ |
| ২০১৯ | ৩৯৬ | ১০০% | ৬৪ | ৫৪ |
স্কুল সেকশন: এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল
| সাল | মোট পরীক্ষার্থী | পাসের হার | GPA-5 | বৃত্তিপ্রাপ্ত |
|---|---|---|---|---|
| ২০১৭ | ৭৫ | ৯৬% | ২ | ৮ |
| ২০১৮ | ১২৩ | ১০০% | ১৫ | ২২ |
| ২০১৯ | ১২১ | ৯৫.৮৭% | ৪ | ৪ |
| ২০২০ | ২৪৭ | ১০০% | ৭৩ | ৬০ |
| ২০২১ | ৪৪৩ | ৯৯.৫৫% | ১২৫ | — |
| ২০২২ | ৪৪৩ | ৯৯.৫৫% | ১৭৩ | — |
| ২০২৩ | ৪০৮ | ৮০.১৫% | ৬২ | — |
| ২০২৪ | ৪৬০ | ৯৬.৯৬% | ১০৭ | — |
| ২০২৫ | ৪৯২ | ৭৯.২৭% | ৫৯ | — |
| ২০২৬ | ৪৯৫ | ৮৬.৭৯% | ৫৫ | ৩৬ |
কলেজ সেকশন: এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল
| সাল | মোট পরীক্ষার্থী | পাসের হার | GPA-5 | বৃত্তিপ্রাপ্ত |
|---|---|---|---|---|
| ২০১৮ | ১১৪ | ৯৪.৯৬% | ২ | ৩ |
| ২০১৯ | ১২৩ | ১০০% | ১২ | — |
| ২০২০ | ২৬৫ | ১০০% | ৩৩ | — |
| ২০২১ | ৩৬১ | ১০০% | ৭৬ | — |
| ২০২২ | ৪৮৫ | ৯৯.৭৯% | ২৪৯ | — |
| ২০২৩ | ৫৩০ | ৯৭.১৭% | ৩২ | — |
| ২০২৪ | ৬১০ | ৯৮.০৩% | ২০৯ | — |
| ২০২৫ | ৪৪৭ | ৭০.৯২% | ৯ | — |
ক্লাব কার্যক্রমে আমাদের অর্জন
১. বিতর্ক ক্লাব
বিতর্কচর্চা শিক্ষার্থীদের যুক্তিবোধ, বিশ্লেষণী দক্ষতা, ভাষাগত উৎকর্ষ, আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মজিদ জরিনা ফাউন্ডেশন স্কুল এন্ড কলেজের বিতর্ক দল বিভিন্ন জাতীয় প্রতিযোগিতায় উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।
বাংলা বিতর্কে অর্জন
- কালের কণ্ঠ জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতায় দেশের ৫৪৪টি স্কুলকে পেছনে ফেলে ফাইনালে উত্তীর্ণ হয় এবং আদমজী ক্যান্টনমেন্ট স্কুলকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
- এটিএন বাংলা আয়োজিত জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতায় রানার্সআপ হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করে।
- বাংলাদেশ টেলিভিশন আয়োজিত জাতীয় কলেজ বিতর্ক প্রতিযোগিতা ২০২০-এ বিভিন্ন পর্যায়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।
- প্রতিযোগিতাটিতে ড. মাহবুবর রহমান কলেজ, পাবনা ক্যাডেট কলেজ, আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ ও সাভার ক্যান্টনমেন্ট কলেজকে পরাজিত করে ফাইনালে ওঠে এবং ঢাকা কলেজের বিপক্ষে রানার্সআপ হয়।
ইংরেজি বিতর্কে অর্জন
২০১৯ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশন আয়োজিত ইংরেজি বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বাংলা মাধ্যমের প্রতিষ্ঠান হিসেবে উল্লেখযোগ্য পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে। প্রতিযোগিতার বিভিন্ন পর্বে সাউথ পয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজ, টার্কিশ ইন্টারন্যাশনাল হোপ স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সাবেরা সোবহান স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং ম্যাপল লিফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ফাইনালে উত্তীর্ণ হয় এবং রানার্সআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
২. স্পোর্টস ক্লাব
শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলা এবং শৃঙ্খলাভিত্তিক কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রতিষ্ঠানটি নিয়মিত বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে প্রদর্শনীর আয়োজন করে। জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন জাতীয় দিবসের কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লেতে শিক্ষার্থীরা সাফল্য অর্জন করে আসছে। এ ছাড়া ফুটবল, ক্রিকেটসহ বিভিন্ন খেলাধুলায় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ও অর্জন প্রশংসনীয়।
৩. বিজ্ঞান ক্লাব
বিজ্ঞানমনস্কতা, উদ্ভাবনী চিন্তা ও গবেষণামুখী মানসিকতা গড়ে তুলতে বিজ্ঞান ক্লাব নিয়মিত বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- প্রতিবছর বিজ্ঞানভিত্তিক উৎসব বা সায়েন্স ফেস্টিভ্যাল আয়োজন।
- বছরব্যাপী বিভিন্ন বিজ্ঞান ও গণিত অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণ এবং আয়োজন।
- জেলা পর্যায়ের বিজ্ঞানভিত্তিক প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ।
- ২০১৯, ২০২২, ২০২৪ ও ২০২৫ সালে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহে প্রকল্প উপস্থাপনায় ঢাকা বিভাগে সেরা হওয়ার কৃতিত্ব—প্রতিষ্ঠানের সরবরাহকৃত তথ্য অনুযায়ী।
আমাদের অঙ্গীকার
মজিদ জরিনা ফাউন্ডেশন স্কুল এন্ড কলেজ বিশ্বাস করে, শিক্ষা কেবল পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জনের মাধ্যম নয়; শিক্ষা হলো জ্ঞান, নৈতিকতা, মানবিকতা, দায়িত্ববোধ ও দেশপ্রেমে সমৃদ্ধ মানুষ গড়ে তোলার প্রক্রিয়া।
আমাদের লক্ষ্য—
- মানসম্মত ও যুগোপযোগী শিক্ষা নিশ্চিত করা।
- শিক্ষার্থীদের নিয়মিত অধ্যয়ন ও শৃঙ্খলাবোধে অভ্যস্ত করা।
- সৃজনশীলতা, নেতৃত্ব, যুক্তিবোধ ও উদ্ভাবনী ক্ষমতা বিকশিত করা।
- প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম করে তোলা।
- উচ্চশিক্ষা ও কর্মজীবনের জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান, দক্ষতা ও মূল্যবোধ গড়ে তোলা।
- মানবিক, দায়িত্বশীল ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করা।
আমাদের মূলমন্ত্র—“শিক্ষা, নৈতিকতা, মানবতা ও দেশপ্রেম”—প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি কার্যক্রমের প্রেরণা।
আপনার সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ার প্রত্যয়ে আপনার সন্তানের মেধা, মনন, নৈতিকতা ও সৃজনশীলতার বিকাশে প্রয়োজন একটি মানসম্মত, সুশৃঙ্খল ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ। আধুনিক পাঠদান, নিয়মিত মূল্যায়ন, অভিভাবকদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ এবং সহশিক্ষা কার্যক্রমের সমন্বয়ে মজিদ জরিনা ফাউন্ডেশন স্কুল এন্ড কলেজ শিক্ষার্থীদের সম্ভাবনাকে বিকশিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আপনার সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়ার যাত্রায় আমাদের সঙ্গে থাকুন।
মজিদ জরিনা ফাউন্ডেশন স্কুল এন্ড কলেজ
ওয়েবসাইট: www.mjfsc.edu.bd
ফেসবুক: Mazid Jarina Foundation School and College, Shariatpur
ভর্তি ও অন্যান্য তথ্যের জন্য প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক কার্যালয়ে যোগাযোগ করুন।